ইপেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ১৯১

ইপেপার  : ধানশালিক : সংখ্যা ১৯১
 তারুণ্যের শিল্প সরোবর। ধানশালিক। । সংখ্যা ১৯১শুক্রবার,১৩ অক্টোর ২০২৩, ২৮ আশ্বিন ১৪৩০, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৫ ।       &nbs...

ক্লেদজ কুসুম

ক্লেদজ কুসুম
     অলঙ্করণ : জাহাঙ্গীর হোসেন বাদশাহক্লেদজ কুসুমআবদুল্লাহ আল-হারুনদু সপ্তাহ আগে বিকেল পাঁচটায় পাশের শহরে হজপিসের একটি আঞ্চলিক সমাবেশের আয়োজন হয়েছিল। আমি যখন (১৯৯৭) হজপিসের কর্মী হিসেবে এ সংগঠনে যোগদান করি সে সময় সদস্য-সদস্যাদের গড় বয়েস ছিল পয়ষট্ট্রি কাছকাছি! যে গ্রুপে আমি প্রশিক্ষন নেই সেখানে আমিই ছিলা সে সময় সর্বকনিষ্ঠ (৫২)। কর্মীদের মধ্যে মহিলাই ছিলেন শতকরা ৯০/৯৫ জন! বিধবা,...

পদাবলি

পদাবলি
 মহাকালের কাছেশরীফ এমদাদ হোসেন বৃষ্টির সাথে পূর্ণিমার চাঁদ দোল খায় পদ্মবিলেনয়ন মাঝি কৈয়া জাল পাতে লক্ষীদিঘার নাড়ায় দিঘা চালের পান্তাভাত আর কৈ পুঁটির ঝোল কিংবা ভাজা, আহা! টাক্কুস করে জিহ্বায় জল আসেবাড়ির দক্ষিনে কুটোর পালা, ছাতিম গাছ ভোকসা পুকুর পাড়, থই থই জলের কিনার, মনের ডিঙ্গা বেয়ে চলে হুটহাট, অজান্তে চালিতার ফুলে নামে ঘুমভোরে ঝরা শিউলি কুড়ায় বালকবালিকা।শাপলা তোলা ভোর...

৯৩৬ নাম্বার বেড

৯৩৬ নাম্বার বেড
         অলঙ্করণ : জাহাঙ্গীর হোসেন বাদশাহ৯৩৬ নাম্বার বেডআকিব শিকদার মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় কিছু নেই, যা আমি পেয়েছি অসুস্থ থাকা দিনগুলোতে। সুচিকিৎসার জন্য মাদ্রাজ নিতে হবে বলে ডাক্তারেরা যখন আমাকে ঢাকা মেডিকেল থেকে রেফার করে দিল, আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো গ্রামের বাড়িতে। পাশাপাশি তিন গ্রামের লোকেরা প্রায় প্রতিদিন রোগী দেখতে আসতো। সাথে নিয়ে আসতো তাদের গাছে ধরা...

জোড়াসাঁকো

 জোড়াসাঁকো
     অলঙ্করণ : জাহাঙ্গীর হোসেন বাদশাহজোড়াসাঁকো আহাদ আদনানভরা বর্ষায় খাল জলে টইটুম্বুর। আমি বসে আছি মল্লিকদের সাঁকোর ধারে। ক্রোশখানেক দূরে ঘোষদের সাঁকো। সাঁকো অদলবদল করলে এখানে কুরুক্ষেত্র বেঁধে যায়। যদিও সাঁকো না, আমরা মন অদলবদল করেছিলাম।মাঝরাত। ঘোষদের খাল ঘেঁষে পুরনো এক অশ্বত্থ বৃক্ষ। এখনো ওখানে আমার যাওয়া বারণ। একটা মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে গাছের নীচে। হাতে লম্বা কাপড় কিংবা শাড়ি। তড়তড়...