তারুণ্যের শিল্প সরোবর : ধানশালিক : সংখ্যা ১৬৩রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০...
বাঙালির ঐতিহ্য মসলিন
বাঙালির ঐতিহ্য মসলিন ওবায়দুল মুন্সীমসলিনের প্রাচীন নাম মলমল।বাংলা মসলিন শব্দটি আরবি, ফার্সি কিংবা সংস্কৃতমূল শব্দ নয়। মসলিন শব্দটি এসেছে দমসূলদ থেকে। ইরাকের এক বিখ্যাত ব্যবসাকেন্দ্র হলো মসূল। এই মসূলেও অতি সূক্ষ্ণ কাপড় প্রস্তুত হতো। এই দমসূলদ এবং দসূক্ষ্ণ কাপড়দ -এ দুয়ের যোগসূত্র মিলিয়ে ইংরেজরা অতিসূক্ষ্ণ কাপড়ের নাম দেয় দমসলিনদ। অবশ্য বাংলার ইতিহাসে দমসলিনদ বলতে বোঝানো হয় তৎকালীন ঢাকা ও...
অঘোর ফাগুন
অঘোর ফাগুন আহাদ আদনান(চিঠিটা তার পকেটে ছিল,ছেঁড়া আর রক্তে ভেজা। মাগো ওরা বলেঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ) শীতটা এবার পড়েছে জাঁকিয়ে। ভোরের কুয়াশায় দুনিয়াটা সেজে থাকে ভীষণ এক ঘোলা পুকুর। রানু’র নিজেকে মনে হয় মাছ। পুঁচকে পুঁটি। ভেজা ভেজা সরিষা খেতের আইল ধরে যখন সে বের হয় মক্তবের দিকে, সাথে জুটে যায় আরও কয়েকটা মাছ, বুলি, সেতু, আনু; হেঁটে নয়, ওরা যেন সাঁতরে সাঁতরে এগুতে থাকে। উঠতে গিয়ে...
প্রহসিত দেশপ্রেম
প্রহসিত দেশপ্রেমকে.এম. ওমর ফারুক জামিল হোসেন এক থালা পান্তাভাতে গোটাদুই মরিচ-পেঁয়াজ ডলে কয়েক লোকমা মুখে পুড়ে চিবোতে থাকে, গোলপাতার ভাঙা ছাউনির ফুটা দিয়ে সূর্যের আলো সরলরেখায় এসে ছোট্ট ঘরের ভেতর এমনভাবে পড়েছে যেন ছাউনিতে কতোগুলো উন্নতমানের টর্চ লাইট বসিয়ে সাজানো হয়েছে, কিছুটা আলো তার গায়ে পড়েও যেন বিদ্রুপের হাসিতে ফেটে পড়ছে। জামিল হোসেন কিছুটা উদ্বিগ্ন ভাবনায় ডুবে আনমনা হয়ে পড়ে। গরগর কইরা...
একুশের পদাবলি : ০১
দূরত্ববিষাদ-২আরিফুর রহমান দু’টো ছায়ার মাঝে দূরত্ব বাড়তেইঅন্ধ হয়ে গেল আগুন পোহানোর দিনটি! অথচ সে-ই থেকে চোখে চোখে লেখা হচ্ছিল পঙ্ক্তিমালাÑ ‘এই বিকেলটা এমনই আলোয় থাকমনের উঠোনজুড়ে’‘সন্ধ্যে নামুক অন্য কোনো গ্রহে,অন্যখানে যাক উড়েচোখ গেলÑপাপিয়ার দল’‘ওম ছড়াই চলো হিমে; প্রেমে ও দ্রোহে!’ নিয়রে ভিজতে ভিজতেপা দুটোয় জমে গেছে না চলবার ছল। এখন, তোমার দেওয়া অনাকাক্সিক্ষত...
একুশের পদাবলি : ০২
একটি ট্রেনলাভলী ইসলাম চলন্ত ট্রেনের বগী গুলো ছুটে চলে হুইসেল দিয়ে আপন মনে ধাবমান গন্তব্যের পথে চলতে পথে কোথাও থেমে যায় ক্ষনিক স্টেশনের উঠোনে কাউকে বিদায় দিয়ে নতুন কাউকে হৃদয়ের ঘরে বসতি দিয়ে ফের ছুটে চলে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ।রেললাইনের লোহার সংঘর্ষে এ পথ সেপথ এ শহর সে শহর করে করে দিনের কর্মক্লান্ত দেহটাকে পরিত্যক্ত করে ফেলে রাখে স্টেশনের অচল কোন জং ধরা লাইনের পরিত্যক্ত লৌহদানবের...
ফাঁদ
ফাঁদরফিকুল নাজিম -কি রে, সুপ্তি; সাজগোছের ইনিংস কি তোর শেষ হলো? ছেলেটা তো মনে হয় সেই সকালেই চলে এসেছে। ভোরের গাড়িতেই তো আসার কথা। তাড়াতাড়ি কর। এখন অপেক্ষা করাটা ছেলেটার কাছে খুবই বিরক্তিকর ঠেকবে।-ওম্মা! তুমি কি আমার সৎমা! নাকি ঘষেটি বেগম! মেয়ের বয়ফ্রেন্ডের জন্য দরদ দেখি উতলে উঠছে!-কি যে বকিস না! তাড়াতাড়ি কর।-আচ্ছা। এই তো শেষের দিকে। মা, টেবিলে নাস্তা দিয়েছো?-হ্যাঁ, সেই কখন থেকে তোর বাবা...
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)