ই-পেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭১

ই-পেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭১
 তারুণ্যের শিল্প সরোবর : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭১,শুক্রবার, ১৩ আগস্ট ২০...

বৃষ্টির কবিতা : মিসির হাছনাইন

বৃষ্টির কবিতা : মিসির হাছনাইন
 বৃষ্টির কবিতামিসির হাছনাইন বৃষ্টি নাচা উঠানে বৃষ্টি নাচা উঠানে একটা ফুল দেখছিতখনও ঠিক তুমি এই ফুলটা ভাবছিমেঘলা দিনে গল্পের বই তোমাকে পড়ছিটিনের চালে গাওয়া গান তোমাকে শুনছিহঠাৎ কখন ঘুমিয়ে তোমাকে দেখছিএকটা ফুল পাশে আমি একসাথে ভিজছিকৃষ্ণপক্ষের অন্ধকার চাঁদ হরিণী ডাকছিমেঘে মেঘে লেখা চিঠি তোমাকে লিখছিভুলে গেছি কবে তোমায় কথায় একবার হাসছি! টিপ টিপরাত দিন মিলাইয়া কত হাজার বার তোমার পাঠানো...

বৃষ্টির পদাবলি - ০১

বৃষ্টির পদাবলি - ০১
 আষাঢ়, তুই এবং মৃত্যুসাজেদুর আবেদীন শান্ত একদিন কোথাও যাবো না,একদিন সারাদিন তোর কথা ভাববো।একদিন কোথাও যাবো না,একদিন তোর সাথে বৃষ্টিতে ভিজবো।একদিন খুব ভোরে তোর সাথে হাটবো,একদিন মরে যাওয়ার সময় ঈশ্বরকে বলবোহে ঈশ্বর! আরো কিছুদিন সঙ্গ পেতে চাই তার,সেদিন হয়তো ঈশ্বর হাসবে,দিবে না সময়, আকুতি যাবে বিফলেএকদিন মৃত্যু চলে আসবে এমন বৃষ্টিমুখর আষাঢ়েএকদিন মৃত্যুকে সাথে নিয়ে ছেড়ে যাবো তোকেকারণ আষাঢ়, তুই...

বৃষ্টিগুচ্ছ : অসীম মালিক

বৃষ্টিগুচ্ছ : অসীম মালিক
 বৃষ্টিগুচ্ছঅসীম মালিকমনকেমনের নদীমনকেমনের বৃষ্টি শুরু,ইচ্ছেকুঁড়ি ফোটে।আজীবনের দায় লিখেছিবৃষ্টি ভেজা ঠোঁটে।মনকেমনের বর্ষা দিনেইলসেগুঁড়ি ঝরে।জলনুপুরের শব্দ শুনেতোমায় মনে পড়ে।মনকেমনের জলছবিতেউছলে ওঠে মন।জানলা খুলে চেয়ে দেখিভেজে পলাশ বন।মনকেমনের আষাঢ় মাসেবৃষ্টি হতাম যদি।তোমার চোখেও চাঁদ ভাসাতআমার চোখের নদী।তানপুরারোদে পুড়েজলে ভিজেসীমানা ভুলেছি।চোখে-চোখহাতে-হাতজানলা খুলেছি।দূরে মানেদূর নয়।রোদ ছায়া...

বৃষ্টির পদাবলি - ০২

বৃষ্টির পদাবলি - ০২
 বৃষ্টির রেণুমহাজিস মণ্ডলবৃষ্টির অঝোর রেণু মেখে নিচ্ছিপ্রশস্ত দুই ডানার মধ্যে অবিরতআজ কোথাও একটুও অন্ধকার লেগে নেই।হৃদয়ের গহীনে তিরতিরে নৌকাভালবাসার প্রহরগুলো স্বপ্নময়দিগন্তবিসারী ভাবনাসমূহ-অ-আ-ক-খ-অক্ষরের বুকে ঝরে...বর্ষা বন্দনাশেখ একেএম জাকারিয়ামেঘ দেখলেই মন আনন্দে নেচে আসেআকাশ হয়ে যায় পুরোটাই বর্ষার কবিতাএমন দিনে চোখের ওপরে সিকি সাইজ টিপদপ করে জ্বলে আর নেভেগলায় পাতার মালা-হাতের বৃষ্টির চুড়িদাগ-দাগিয়ে...