তারুণ্যের শিল্প সরোবর : ধানশালিক : সংখ্যা ১৮২শুক্রবার, ০৪ আগস্ট ২০...
পদাবলি
কাঠগোলাপের ঘ্রাণবনশ্রী বড়ুয়াজল হয়ে যায় পাথরনুড়ি ভেঙে চুর এখানে পানকৌড়ি দেয় ডুবকোথাও কেউ নেই আজ সবটাই চুপ।জল নামে ধীরেবৃষ্টি কাঁদছে দূরে ওরা জানে কান্নার নেই রঙআজ একলা থাকার শহর।একাপাঁজরের ভাঁজে চুলখানিক অগোছালোআমি আজ জলে দিয়েছি ডুব।এখানে বর্ষা এসেছে ঘরেকাঁপছে দূরে কেউতার কাঁপছে ঠোঁটের কোণ।তুমি ভালো থেকোরেজাউল করিম রোমেলতোমাকে নিয়েই লিখছি, হ্যাঁ তোমাকে নিয়েই।অনেক দিন হলো তুমি চলে গ্যাছ,সেকথা...
আহত পতাকার কান্না
আহত পতাকার কান্না রানা মাসুদকান্নার শব্দে থেমে গেলাম। বোবা কান্নার মতো। শব্দ যেন ভিতর থেকে বের হতেই চাচ্ছে না। ঠিক যেন মোমবাতিতে আগুন জ্বালালে কোন ধোঁয়া আসে না। শুধু নিভু নিভু করে আগুন জ্বলতেই থাকে। মোম গলে যেমন মোমবাতি চুইয়ে চুইয়ে পরে ঠিক তেমনি চোখের অশ্রু নামক রক্তগুলো গাল বেয়ে চুইয়ে চুইয়ে পরছে। বারবার গামছা দিয়ে চোখের রক্তগুলো মুছলেও আবার এক নিমেষেই পূরণ হয়ে যাচ্ছে।পুরনো একটি ব্যাগ।...
ছায়া
ছায়াহাসান মাহাদি অন্দরমহলে মা যেমন তার আঁচলে আগলে রেখেছেন তেমনি বাবা বাইরে থেকে একটা বটবৃক্ষের মতো পুরো সংসারটাকে ঝড়, বৃষ্টি, রৌদ্র থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। ছোটবেলায় অনেক বায়না ধরতাম। কখনও পূরণ হতো...‘বাবা, ওড়াটা ওপর দিয়ে খালি রাখছ কেন?' গামছাটা মাথায় বাঁধতে বাঁধতে বললাম। সংসারের কাজকর্ম তেমন একটা করি না। বাবার সামান্য আয় আর মায়ের জোড়াতালিতে যে সংসার চলে, তা বুঝতাম। তবে আমার বাবা-মা...
গঙ্গাজলে পূণ্য স্নান
গঙ্গাজলে পূণ্য স্নানএম ইব্রাহীম মিজিপীর সাহেব তার সাগরেদ রমজানকে ডেকে বলে- আমার জায়নামাজ এবং বিছানা-পত্র গুছিয়ে নাও। কাপড় গোছ করতে করতে রমজান পীর সাহেবকে জিজ্ঞেস করে, পীর সাহেব কোথাও যাবেন না-কি? তখন তাকে একটা ধমক দিয়ে বলে। চুপ কর বেয়াকুফ। আমার সাথে এতো বছর হলো রয়েছিস এখনো আমার মতিগতি ধরতে পারিসনি। আমি হলাম ইসলামের ধারক-বাহক, দ্বীনের খেদমতে আমাকে পৃথিবীর কত প্রান্তে যেতে হয়। তারপর এই বলে পীর...
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)