ইপেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ৯১

ইপেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ৯১
তারুণ্যের শিল্প সরোবর ।। ধানশালিক ।। সংখ্যা ৯১ বৃহস্পতিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ...

পদাবলি

পদাবলি
 মেঘের সফেদ জমিন আনোয়ার কামাল ফোঁটা ফোঁটা শিশির বিন্দু ঘাসের ডগায় চুমু দিয়ে যায় মেঘপুঞ্জ ধেয়ে আসে, উড়ে যায় সোনালি ডানার শঙ্খচিল পাখনা মেলে দেয় নীলাকাশ হাতছানি দেয় তুলো তুলো মেঘের সফেদ জমিন ফেরি করে, কাশবনে ছেয়ে থাকে নদীর কিনার চরাঞ্চল আর মেঠোপথ। ডাহুক পাখির বাসা জেগে ওঠে পদ্মার চরে পল্লির প্রলেপ লেপ্টে থাকে কিষাণির পাজরে। আবার গড়ে ওঠে বসতি ঝির ঝিরে উত্তরে হাওয়া গা শির শিরে বার্তা...

দীর্ঘ কবিতা : প্রিয় পাখি সারস

দীর্ঘ কবিতা : প্রিয় পাখি সারস
প্রিয় পাখি সারস সাদিক আল আমিন এসো তবে পাখি সারস- কিছু পারিবারিক আলাপচারিতা হয়ে যাক উদাসীন অশ্বত্থের নিচে জেগে থাকে যেসব ব্যতিগ্রস্থ ঘাসেদের উম্মাদ কেশরের মতো জীবন তাদের নিয়ে কিছু মূল্যবান মুহূর্ত ব্যয় করি তবে হ্যাঁ, ঘরে ফিরে যেনো না শুনি চারুলতার সরব অভিযোগ তুমি দিয়োনা যেন তাকে কোনো নালিশ, যে লোকটা ইদানীং ভীষণ অসামাজিক হতে শুরু করেছে ! যে মায়ের প্রসববেদনা প্রথম গর্ভ থেকেই দারুণ নীল অস্ফুট...

গল্প : গুড়ের জিলাপি

গল্প : গুড়ের জিলাপি
 গুড়ের জিলাপি অনন্ত পৃথ্বীরাজ তখন বিকেল। জাফর সাহেব বাজারে যাবেন। তাই কার কী লাগবে জানতে চাইলেন। লিস্ট থাকলে বাজার করতে সুবিধে হয়। ‘দাদু, তোমার আব্বুকে বলো আমার পান শেষ হয়ে গেছে। আর তুমি কী খেতে চাও? গুড়ের জিলাপি? ঠিক আছে। আব্বুকে বলে এসো। তবে একদম চুপিচুপি। দেখো, তোমার মা যেন জানতে না পারে। তাহলে বকবেন।’ কোহিনুর বেগম তার নাতি সুপ্তকে এসব কথা শিখিয়ে দিলেন। কিন্তু অত শত চিন্তা করার সময়...

শুভ্র শরতে কাপাসিয়া কলেজ ক্যাম্পাস

 শুভ্র শরতে কাপাসিয়া কলেজ ক্যাম্পাস
 শুভ্র শরতে কাপাসিয়া কলেজ ক্যাম্পাস শামীম শিকদার কয়েকদিন ধরে কোন বৃষ্টি হয় না। তাই পুরো কলেজ ক্যাম্পাসটিতে কেমন যেন একটি ফ্যাকাসে ভাব। কলেজের মাঠের দূর্বা ঘাস গুলোও যেন শুকিয়ে বিবর্ণ সবুজ রঙ্গে পরিণত হয়েছে। উত্তর পাশ দিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের মূল ফটকে প্রবেশ করতেই মাঠ পেরিয়ে পুকুর পাড়ের পশ্চিম পাশের সাদা সচ্ছ কাশ ফুল গুলো এলোমেলো বাতাসে উড়ছে, তা স্পষ্ট চোখে পড়ে। কিন্তু শুভ্র শরতের স্নিগ্ধ...

শরৎবন্দনা

শরৎবন্দনা
শরৎবন্দনামুহাম্মাদ এমদাদুল্লাহ্নাগরিক কোলাহল ছেড়ে পৌঁছলাম একটি গ্রামে। আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো বন্ধু শুভ্র। আমি ডাকি বইপোকা। বইপোকা বলার কারণ, শুভ্র বইয়ের প্রতি নেশা প্রচুর। যেন নেশা তার পেশায় পরিণত। দেশী- বিদেশী উপন্যাস, থ্রীলার, সায়েন্স ফিকশন তার নাগালে থাকে। তার বই পড়া দেখে আমি ঈর্ষান্বিত হয়ে পারি না।কিছুক্ষণের মধ্যে এসে হাজির হয় শুভ্র। এক- অপরের সাথে মোসাফাহ ও বুক মিলালাম। ব্রিজের উপরে...