ই-পেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭৯

ই-পেপার : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭৯
 তারুণ্যের শিল্প সরোবর : ধানশালিক : সংখ্যা ১৭৯শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০...

ফিরে পাওয়া...

ফিরে পাওয়া...
 ফিরে পাওয়ামো. আরিফুল হাসানরাত তিমির। কুয়াশার চাদর ভেদ করে দুজন মানুষ চলছে। হেমন্তের রাতে তাদের পায়ের নিচের ভেজা পাতাগুলো মচমচ করে ভাংছে না। তবু সামান্যতম শব্দে তারা চমকে চমকে উঠছে।করিমের বৌকে ভাগায় নিয়ে যাচ্ছে রহিম। রহিম এ বাড়ির কাজের ছেলে। করিম বিয়ে করেছে আজ ছয় বৎসর হলো। কোলে ছেলেপুলে নেই। গেরামের ডাক্তার ওষুধ দিয়েছে আমেনাকে। কিন্তু কাজ হয়নি। আসলে ওষুধ উল্টো জাগায় পড়েছে। অসুখটা করিমের।করিম...

পদাবলি ০১

পদাবলি ০১
 নতুন ভোরের অপেক্ষায়শাহ জালাল শামীম পরিচিত মুখগুলোর অনেকে হারিয়ে গেছেপেটের তাগিদে ছিটকে গেছে অনেক মেধাবী মুখ।স্বামীর অত্যাচার মেনে নিয়ে গুমরে পড়ে থাকা মেয়েটির চোখ জ্বলছে।সবাই ভাতের হোটেলে কাজ নিতে চায় কেন!অনেকে ফিরতে পারে নাইচ্ছে হলেই ফেরা যায় না।বলা যায় না ভালো আছিবলা যায় না ভালোবাসি!তবুও চাই, নতুন ভোর আসুক।বুকের বাঁ পাঁজর ভেঙে যায় রুদ্র সাহাদাৎ বুকের বাঁ পাঁজর ভেঙে যায় অজানা...

পদাবলি ০২

পদাবলি ০২
 অহংকার হাফিজুর রহমান এই নে-রে ভাই, একা খাবে তালের রস;সিন্দুকে তুলে রেখে তোর অর্জিত যশ,একটি কথা জেনে রেখো তবেকোনকিছুই নয় অবহেলারপ্রয়োজনে আছে সবে।কার ঘরের দুয়ারে, কখন যে যাবে কে!কী প্রয়োজনে কেন, সময় বলবে ডেকে,বড়াই করো না অর্থ- সম্মানেরনিমিষেই যাবে ধূলায় মিশেসবেই হবে অপমানের।দুর্ভিক্ষের নায়কআহমাদ সোলায়মানজীবনের দিনে আর সূর্যের আলো নেইচোখ দু’টো যেন এক কঙ্কাল নদীসময়ের ঘড়িটার ফুরিয়েছে ব্যাটারিদিক...

অতিথি আসন !

অতিথি আসন !
 অতিথি আসনশফিক নহোররাইপুর বাসস্ট্যান্ডে আমি দাঁড়িয়ে আছি গাড়ির অপেক্ষায়। চোখের পলকে একটি গাড়ি এসে দাঁড়ালো। আমি পা সামনে বাড়িয়ে দিলাম। তখন একটি অটোরিকশা এসে আমার পথ বাঁধাগ্রস্তকরল। গাড়িটি আর একটু সামনে এগিয়ে গেল। আমি হাত উচিয়ে হেলপারকে ইশারা করলাম। গাড়ি থেমে গেল।গাড়িতে উঠে একটি অষ্টাদশী মেয়ের চোখে আমার চোখ আটকে গেল । নির্লজ্জ বেহায়ার মতো আমি আবারও তার চোখের দিকে তাকালাম। অবশ্য মেয়েটি তার দৃষ্টি...